নতুন মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠান নিয়ে ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত
বহুল প্রতীক্ষিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঐতিহাসিক বিজয় অর্জন করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। দুই-তৃতীয়াংশের বেশি আসনে জয়ী হয়ে এককভাবে সরকার গঠন করতে যাচ্ছে দলটি। ইতোমধ্যে ঠিক হয়ে গেছে বিএনপির নতুন মন্ত্রীসভার শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানের তারিখও।
তবে, রীতি অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির বাসভবন বঙ্গভবনে শপথ অনুষ্ঠান হচ্ছে না এবার। দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠান হবে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায়।
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৪টায় নতুন মন্ত্রীসভার সদস্যদের শপথ পড়াবেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। এর আগে, ওইদিন সকালে নতুন নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ পড়াবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও সংসদ সচিবালয় সূত্রে জানা গেছে এসব তথ্য। সে অনুযায়ী এখন প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
নতুন সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ পেলেন ১৩ দেশের সরকারপ্রধান
গত বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) শেষ হয় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ। একইসঙ্গে গণভোটও অনুষ্ঠিত হয় ওইদিন। ৩০০ আসনের বাংলাদেশ জাতীয় সংসদে এককভাবে সরকার গঠন করতে যেখানে কমপক্ষে ১৫১ আসন প্রয়োজন, সেখানে দুই শতাধিক আসন নিয়ে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে বিএনপি।
নিয়ম অনুযায়ী, সংসদ সদস্যদের শপথের পর পার্লামেন্টারি বোর্ডের সভা হবে। সেখান থেকে দলনেতা নির্বাচিত হবেন। তারপর দলের নেতা রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করে বলবেন, ‘আমাদের নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা আছে সংসদে।’ তখন রাষ্ট্রপতিকে তিনি সরকারপ্রধান করার অনুরোধ করবেন। রাষ্ট্রপতি দলনেতাকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দেবেন। এরপর প্রধানমন্ত্রী তার মন্ত্রিসভায় সদস্যদের নির্বাচিত করবেন। পরে প্রধানমন্ত্রী এবং মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ করাবেন রাষ্ট্রপতি।
নির্বাচনে সর্বোচ্চ আসনপ্রাপ্ত বিএনপির সংসদ নেতা হবেন নতুন সরকারের প্রধানমন্ত্রী। ফলে, বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী হতে যাচ্ছেন- এটি অনেকটাই নিশ্চিত।
সংবিধানের ৫৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, মন্ত্রিসভায় একজন প্রধানমন্ত্রী থাকবেন এবং প্রধানমন্ত্রী যেভাবে নির্ধারণ করবেন, সেভাবে অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রী থাকবেন।
তবে, মন্ত্রিসভার সদস্যদের সংখ্যার কমপক্ষে ১০ ভাগের ৯ ভাগ সংসদ-সদস্যদের মধ্য থেকে নিয়োগ পাবেন। সর্বোচ্চ ১০ ভাগের ১ ভাগ সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার যোগ্য ব্যক্তিদের মধ্য থেকে মন্ত্রিসভার সদস্য মনোনীত (টেকনোক্র্যাট) হতে পারবেন বলে সংবিধানের ৫৬ অনুচ্ছেদে উল্লেখ আছে।
রাষ্ট্রপতি প্রথমে প্রধানমন্ত্রীর শপথ পড়াবেন। এরপর মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপ-মন্ত্রীদের শপথ পড়াবেন রাষ্ট্রপতি। শপথের পর মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে দপ্তর বণ্টন করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।
নতুন মন্ত্রিসভা শপথ নেওয়ার পর আনুষ্ঠানিকভাবে তারাই হবেন দেশের নতুন সরকার। শপথগ্রহণ পর্যন্ত অন্তর্বর্তী সরকার বহাল থাকবে। নতুন মন্ত্রিসভা শপথ নিলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে যাবে অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ।
Rp / Rp
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সেনাপ্রধানের সাক্ষাৎ
নবনির্বাচিত মাননীয় সংসদ সদস্যগণের এবং নবগঠিত মন্ত্রীসভার সদস্যবৃন্দের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান উপলক্ষ্যে ডিএমপি কর্তৃক ট্রাফিক নির্দেশনা
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিরপেক্ষ ভূমিকার কারণে জাতীয় নির্বাচন প্রশংসিত হয়েছে -- পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সে বিদায়ী সংবর্ধনায় স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
নতুন মন্ত্রিসভায় ছাত্রদলের সাবেক যে শীর্ষ নেতাদের দেখা যেতে পারে
আমার বাসায় তারেক রহমানের আগমন জাতীয় রাজনীতির জন্য এক ঐতিহাসিক মুহূর্ত
তারেক রহমানের শপথে স্পিকার ওম বিড়লাকে পাঠাচ্ছে ভারত
বিএনপির ইচ্ছাতেই সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় শপথ : আইন উপদেষ্টা
জোটসঙ্গী ও টেকনোক্র্যাট মিলিয়ে নতুন সরকারের ৪২ সদস্যের সম্ভাব্য মন্ত্রিসভা
নতুন সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ পেলেন ১৩ দেশের সরকার প্রধান
নতুন মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠান নিয়ে ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত
তারেক রহমানের শপথ অনুষ্ঠানে মোদির অংশগ্রহণ নিয়ে সবশেষ যা জানা গেল
দেশ ছেড়েছেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব
ঝিনাইদহে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে ডিউটিতে নিয়োজিত অফিসার ও ফোর্সদের ব্রিফিং সভা অনুষ্ঠিত
Link Copied