ঢাকা বুধবার, ৬ মে, ২০২৬

বাংলাদেশ–যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্য চুক্তি পারস্পরিক স্বার্থে ব্যবহারে জোর:  উদ্বেগের কিছু নেই বললেন বাণিজ্যমন্ত্রী


আলী আহসান রবি photo আলী আহসান রবি
প্রকাশিত: ৫-৫-২০২৬ দুপুর ১:৩
বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার বাণিজ্য চুক্তিকে পারস্পরিক স্বার্থে কাজে লাগানোর ওপর গুরুত্বারোপ করে বাণিজ্যমন্ত্রী  খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, “যেকোনো আন্তর্জাতিক চুক্তি দুই পক্ষের সমন্বয়ে গড়ে ওঠে। এতে উভয় পক্ষের স্বার্থের বিষয়গুলো বিবেচনায় রেখেই একটি ‘উইন-উইন’ পরিস্থিতি তৈরি করা হয়। কাজেই এই চুক্তি নিয়ে অযথা উদ্বেগের কিছু নেই।”
 
আজ মঙ্গলবার (৫ মে) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক সহকারী বাণিজ্য প্রতিনিধি ব্রেন্ডন লিঞ্চ-এর সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
 
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার এই চুক্তির সূচনাকারী নয়, তবে রাষ্ট্রীয় ধারাবাহিকতার অংশ হিসেবে এটি উত্তরাধিকারসূত্রে পেয়েছে। “রাষ্ট্রের মধ্যে সম্পাদিত কোনো চুক্তি ব্যক্তিগত চুক্তির মতো নয় যে ইচ্ছামতো বাতিল করা যাবে। এটি একটি বাস্তবতা এবং আমরা সেটিকে দেশের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণে সর্বোচ্চভাবে কাজে লাগাতে চাই"।
 
তিনি আরও জানান, সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে একটি তদন্ত প্রক্রিয়া (ইনভেস্টিগেশন) শুরু করা হয়েছে, যার বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাখ্যা চেয়েছে এবং প্রাপ্ত ব্যাখ্যার প্রেক্ষিতে নিজেদের অবস্থান ও পর্যবেক্ষণ জানানো হয়েছে। মন্ত্রী বলেন, “আমরা স্পষ্টভাবে জানিয়েছি, বিদ্যমান চুক্তির প্রেক্ষাপটে এ ধরনের তদন্ত শুরু না হলে তা আরও ইতিবাচক হতো।”
 
বাংলাদেশের উৎপাদন ও বাণিজ্য বাস্তবতা তুলে ধরে তিনি বলেন, দেশে কোনো ক্ষেত্রেই ‘ওভার ক্যাপাসিটি’ নেই এবং বাংলাদেশ ডাম্পিং করে এমন অভিযোগও ভিত্তিহীন। “আমরা অধিকাংশ পণ্য আমদানি করি। যেগুলো রপ্তানি করি, বিশেষ করে তৈরি পোশাক খাত—তা কঠোর আন্তর্জাতিক কমপ্লায়েন্সের মধ্যে পরিচালিত হয়। সেখানে শ্রম আইন লঙ্ঘন বা শিশুশ্রমের কোনো সুযোগ নেই,”—তিনি যোগ করেন।
 
চুক্তি বাতিলের প্রশ্নে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, “এই সরকার জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধি হিসেবে সবসময় দেশের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেয়। কোনো চুক্তির কোনো ধারা যদি বাংলাদেশের স্বার্থের পরিপন্থী হয়, তা সংশোধনের সুযোগ সেই চুক্তির মধ্যেই রয়েছে।” তিনি এটিকে ‘সেলফ কারেক্টিং এলিমেন্ট’ হিসেবে উল্লেখ করেন।
 
মন্ত্রী আরও বলেন, “চুক্তির মধ্যেই সংশোধন বা সমন্বয়ের প্রয়োজনীয় বিধান রয়েছে। তাই এটি নিয়ে অতিরিক্ত উদ্বেগ বা আতঙ্কের কোনো কারণ নেই।”
 
বৈঠকে বাংলাদেশ–যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্ক জোরদারসহ বিভিন্ন পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব রুটিন দায়িত্ব মো : আবদুর রহিম খান এসম উপস্থিত ছিলেন। 

Rp / Rp

বৈশ্বিক বিনিয়োগের সম্ভাবনাময় গন্তব্য বাংলাদেশ – স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্র

টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী ও কার্যকর করতে হবে -- মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

সার্কুলার অর্থনীতিতে রূপান্তর এখন আর বিকল্প নয়, ভবিষ্যৎ প্রতিযোগিতার পূর্বশর্ত : বাণিজ্যমন্ত্রী

ভাতা সঠিক মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে উদ্যোগ নিয়েছে সরকার -- সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার ফারজানা শারমিন পুতুল

স্বাস্থ্যসেবা প্রতিটি মানুষের মৌলিক অধিকার : ডা. জুবাইদা রহমান

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে এয়ারবাসের ভাইস প্রেসিডেন্ট এর সৌজন্য সাক্ষাৎ

যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর সাথে ব্রিটিশ হাইকমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাৎ

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ইউএনএইচসিআর-এর কান্ট্রি রিপ্রেজেনটেটিভের সৌজন্য সাক্ষাৎ

বাংলাদেশ–যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্য চুক্তি পারস্পরিক স্বার্থে ব্যবহারে জোর:  উদ্বেগের কিছু নেই বললেন বাণিজ্যমন্ত্রী

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান ২০২৬ সালের ৫ থেকে ৭ মে পর্যন্ত বেইজিং সফর করবেন

চার্জ দ্যা এ্যাফেয়ার্স, অস্ট্রেলিয়া'ন হাইকমিশন এর সাথে সিটিটিসি প্রধানের সৌজন্য সাক্ষাৎ

পাহাড়ের মানুষের জীবনমান উন্নয়নে তারেক রহমানের সরকার অত্যন্ত আন্তরিক: প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল

বনশিল্প উন্নয়ন কর্পোরেশনকে আরও লাভজনক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর করতে হবে: পরিবেশ মন্ত্রী