ঢাকা বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬

দেশীয় পশুতেই শতভাগ কোরবানি সম্পন্ন, দেশে কোরবানি হয়েছে ৯৩ লাখ ৬৭ হাজার পশু — মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী


আলী আহসান রবি photo আলী আহসান রবি
প্রকাশিত: ৪-৬-২০২৬ বিকাল ৫:০
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান  সালাউদ্দিন টুকু বলেছেন, পবিত্র ঈদুল আযহা ২০২৬ উপলক্ষ্যে দেশে মোট ৯৩ লাখ ৬৭ হাজার ৪১৮টি গবাদিপশু কোরবানি হয়েছে। এ বছর কোরবানিযোগ্য পশুর মোট চাহিদা ছিল ১ কোটি ১ লাখ ৬ হাজার ৩৩৪টি। এর বিপরীতে দেশে কোরবানিযোগ্য পশুর প্রাপ্যতা ছিল ১ কোটি ২৩ লাখ ৩৩ হাজার ৮৪০টি। কোরবানি শেষে দেশে ২৯ লাখ ৬৬ হাজার ৪২২টি পশু উদ্বৃত্ত রয়েছে। দেশীয় খামারিদের উৎপাদিত পশুর মাধ্যমেই এ বছরও কোরবানির শতভাগ চাহিদা পূরণ করা সম্ভব হয়েছে।
 
আজ সচিবালয়ে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন। দেশব্যাপী কোরবানিকৃত গবাদিপশুর প্রাথমিক হিসাব এবং সরকারের গৃহীত কার্যক্রম সম্পর্কে অবহিত করতে এ প্রেস ব্রিফিংয়ের আয়োজন করা হয়।
 
প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের আওতাধীন আটটি বিভাগ থেকে প্রাপ্ত প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী এ বছর মোট কোরবানিকৃত পশুর সংখ্যা ৯৩ লাখ ৬৭ হাজার ৪১৮টি। এর মধ্যে গরু ও মহিষ ৪৮ লাখ ৬৪ হাজার ১৫৮টি, ছাগল ও ভেড়া ৪৫ লাখ ২ হাজার ২৩৩টি এবং অন্যান্য পশু ১ হাজার ২৭টি। বিভাগভিত্তিক হিসেবে সবচেয়ে বেশি পশু কোরবানি হয়েছে ঢাকা বিভাগে এবং দ্বিতীয় সর্বোচ্চ কোরবানি হয়েছে রাজশাহী বিভাগে।  এছাড়া গত বছরের তুলনায় এ বছর কোরবানির পশুর সংখ্যা বেড়েছে ২ লাখ ৩১ হাজার ৪১৮টি।
 
তিনি বলেন, ঢাকা বিভাগে সর্বাধিক ২৩ লাখ ৫১ হাজার ৬৬৬টি পশু কোরবানি হয়েছে। রাজশাহী বিভাগে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২৩ লাখ ৪২ হাজার ৮৬৯টি পশু কোরবানি হয়েছে। চট্টগ্রাম বিভাগে কোরবানি হয়েছে ১৭ লাখ ৩৪ হাজার ২৫টি পশু। এ ছাড়া রংপুর বিভাগে ১০ লাখ ৫০ হাজার ৫৫৪টি, খুলনা বিভাগে ৮ লাখ ৪৬ হাজার ৫টি, বরিশাল বিভাগে ৪ লাখ ১৬০টি, ময়মনসিংহ বিভাগে ৩ লাখ ৬৭ হাজার ৮১৮টি এবং সিলেট বিভাগে ২ লাখ ৭৪ হাজার ৩২১টি পশু কোরবানি হয়েছে। 
 
তিনি আরো বলেন, ২০২৫ সালে কোরবানির পশুর সম্ভাব্য চাহিদা ছিল ১ কোটি ৩ লাখ ৭৯ হাজার ২০২টি এবং প্রাপ্যতা ছিল ১ কোটি ২৪ লাখ ৪৭ হাজার ৩৩৭টি। ওই বছর দেশে মোট ৯১ লাখ ৩৬ হাজার পশু কোরবানি হয়েছিল এবং উদ্বৃত্ত ছিল ৩৩ লাখ ১১ হাজার ৩৩৭টি পশু। সে হিসেবে গত বছরের তুলনায় এ বছর ২ লাখ ৩১ হাজার ৪১৮টি বেশি পশু কোরবানি হয়েছে।
 
প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকারের সময়োপযোগী নীতি সহায়তা, খামারিদের কঠোর পরিশ্রম এবং উদ্যোক্তাদের বিনিয়োগের ফলে প্রাণিসম্পদ খাত আজ একটি শক্তিশালী ও আত্মনির্ভরশীল অবস্থানে পৌঁছেছে। গ্রামীণ অর্থনীতি আরও শক্তিশালী করা এবং প্রাণিসম্পদ খাতের টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে সরকার আধুনিক প্রযুক্তি ও খামারিবান্ধব নীতি বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছে।
 
এসময় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো : দেলোয়ার হোসেন, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো:  শাহজামান খান-সহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। 

Rp / Rp

মহিলা ও শিশু বিষয়ক এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রীর সাথে IRC -এর ডেপুটি রিজিওনাল ডিরেক্টরের সাক্ষাৎ

দক্ষ মানবসম্পদ তৈরিতে কর্মমুখী শিক্ষার বিকল্প নেই -- সমাজকল্যাণ মন্ত্রী

জুলাই শহীদদের গেজেট ও কবর সংরক্ষণে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে: প্রতিমন্ত্রী ইশরাক

বাংলাদেশের সাথে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য বাড়াতে আগ্রহী রাশিয়া : কম দামে দিতে চায় ইউরিয়া সার

দেশের চিকিৎসা ব্যবস্থাকে  এগিয়ে নিতে আধুনিক প্রযুক্তি ও আন্তর্জাতিক দক্ষতা অর্জন করতে হবে -- মহিলা ও শিশু বিষয়ক এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রী

জনবিচ্ছিন্ন হয়ে রাজনীতি করা যায় না - তথ্যমন্ত্রী

স্বচ্ছ ও কার্যকর কার্বন মার্কেট গড়ে তুলতে সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন: পরিবেশমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু, এমপি

বন্দর অবকাঠামো উন্নয়নে কাতার সরকারকে বিনিয়োগের আহ্বান নৌপরিবহন মন্ত্রীর

কর্মসংস্থান ও সুশাসনকে অগ্রাধিকার দিয়ে সরকারের ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নের নির্ভুল অগ্রগতি প্রতিবেদন তৈরির নির্দেশনা স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রীর

ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি বঙ্গভবনে দাপ্তরিক কার্যক্রম শুরু করলেন

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে জাপানের প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ উপদেষ্টার সৌজন্য সাক্ষাৎ

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (IOM) নবনিযুক্ত চিফ অব মিশনের সাক্ষাৎ

১০ বছরের তথ্য বিশ্লেষণ করে আগাম সংকট শনাক্ত করবে প্রযুক্তি: বাণিজ্যমন্ত্রী