সেতুর বেহাল অবস্থা দুপাশে মাটি না থাকায় বাঁশের মাচাল দিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ পারাপার
মানিকগঞ্জের সাটুরিয়ার বরাইদ ইউনিয়নের ছনকা ধলেশ্বরি নদীর শাখা খালের উপর ৪০ ফুট লম্বা সেতুটি নির্মাণ করা হয়েছিল ২০০৬ সালে। এলাকার গুরুত্বপূর্ণ এই সেতুর উপর দিয়ে ১০ গ্রামের মানুষ চলাফেরা করত।
সেতুটি এখন দেখলে মনে হবে যুদ্ধে বিধ্বস্থ একটি সেতু। আসলে সেতুটি যুদ্ধ বিধ্বস্থ নয় সেতুর বয়স মাত্র ২১ বছর। সেতুর পাটাতন ও দুই পাশের রেলিং ভেঙ্গে চুরমার হয়ে গেছে। কাত হয়ে হেলে গেছে। যেকোন সময় ঘটতে পারে বড় ধরণের দুঘর্টনা এমনটাই আশংঙ্খা করছে এলাকাবাসী। এলাকাবাসীরা জানান বালু খেকোরা পিলারের নিচ থেকে মাটি তোলে নেওয়ায় সেতুটি কাত হয়ে গেছে। এদিকে সেতুটি নির্মাণের পর থেকেই সেতুর দুইপাশের এ্যাপোসে মাটি না দেওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দারা দুইপাশে বাঁশের মাচাল তৈরী করে সেতু পারাপার হচ্ছে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে।
শনিবার সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, এলাকাটি নদী বেষ্টিত হওয়ায় প্রশাসনের কেউ খোঁজ খবর রাখত না। দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকার কৃষকদের উৎপাদিত ফসল কয়েক মাইল ঘুরে ঘরে তুলতে হচ্ছে।
বর্ষা মৌসুমে ধলেশ্বরী নদীর পানির স্রোত প্রবাহিত হতো এই খাল দিয়ে। ফলে সেতুর দুইপাশের এ্যাপোসের মাটি নেই।উপজেলা প্রশাসনের কাছে এ সেতুর কোন তথ্যই জানা নেই। সেতুটির বেহাল অবস্থা হওয়ায় চরম বিপাকে পরেছে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কোমলমতি শিক্ষার্থীরা। বিকল্প রাস্তা না থাকায় কৃষকদের জমি থেকে উৎপাদিত ফসল আনা নেওয়া নিয়ে চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছে।
ঝুঁকিপূর্ণ সেতু দিয়ে পার হচ্ছিলেন আরফান আলী কথা হয় তার সঙ্গে, তিনি জানান, সেতুর দুইপাশের বাসিন্দারা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পারাপর হয়। সেতুটি পার হলেই ছনকা বাজার। এখন ছনকা বাজারে ঘুরে আসতে খরচ ও সময় লাগে বেশি। ছনকা বাজারে যেতে ১০ গ্রামের প্রায় ৬ হাজার মানুষের চরম বিপাকে পরেছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে আরেকটি সেতু নির্মাণের দাবী করে।
কথা হয় আলী হোসেনে সঙ্গে। তিনি বলেন, সেতুর উপর দিয়ে পারাপার হওয়ার সময় শরীরে কাপন ধরে। এই বুঝি পরে গেলাম। জীবনের শংঙ্কা নিয়ে কৃষিপণ্য আনা নেওয়া করছি ও বাজারে গিয়ে বাজার করছি। এখন ১০ মিনিটের বাজারের রাস্তা ঘুরে আসতে সময় লাগে ১ ঘন্টার বেশি।
ছনকা বাজারের সাইদুর রহমান বলেন, সেতুর বেহাল অবস্থা দেখে আমরা স্থানীয় বাসিন্দারা প্রতিবছর ৫ থেকে ৬ হাজার টাকা খরচ করে সেতুর দুইপাশে বাঁশের মাচাল তৈরী করে পারাপার হই। সেতুর দুইপাশের সংযোগ সড়কে মাটি না থাকায় ঝুঁকিপূর্ণ সেতুর উপর বাঁশের সেতু তৈরী করে পার হতে হয় বর্ষা মৌসুমে। তিনি অভিযোগ করে বলেন, সেতুর দুইপাশে মাটি ভরাটের জন্য স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মেম্বারদের ধন্যা ধরে কোন লাভ হয়নি। এমনকি ইউনিয়ন পরিষদ থেকে মানুষ চলাচল করার কোন ব্যবস্থাও করা হয়নি।
বরাইদ ইউপি সদস্য আব্দুল মজিদ বলেন, ওই সেতু দিয়ে মানুষ চলাচল করা খুবই ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পরেছে। সেতুটি সংস্কার না করায়,সেতুটির পাশে থাকা কবরস্থানে। এলাকার কেউ মারা গেলে এই সেতু দিয়ে কোন লাশ আনা নেওয়া করা যায় না। বিশেষ করে কৃষক ও শিক্ষার্থীরা চরম বিপাকে পরেছে।
এ বিষয়ে সাটুরিয়া উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন ও ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা মোঃ খলিলুর রহমান মোল্লাহ বলেন, ধলেশ্বরী নদীর শাখা নদীর উপর সেতু আছে তা আমার জানা নেই। তবে তিনি দাবী করেন, সেতুর নিজ থেকে মাটি কেটে নেওয়া ও স্রোতের কারণে মাটি পিলারের নিচ থেকে সরে যাওয়ায় সেতুটি হেলে পরেছে। তবে সেতুটি পরির্দশন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
Rp / Rp
মহাদেবপুরে বিনিয়োগের ৩৩ কোটি টাকা আদায়ের দাবীতে ব্যাংক কর্মকর্তাদের অবস্থান কর্মসূচী পালন
লালমনিরহাটে বিজিবির অভিযানে ইউএসএ তৈরী পিস্তল ও গুলি উদ্ধার
সন্ত্রাস, চাদাবাজ ও নৈরাজ্য মুক্ত সমাজ গঠনে সকলকে এগিয়ে আসতে হবেঃ ব্যারিস্টার জাকির
বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ বাগেরহাট শাখার শোক
নদী ভাঙন রোধে পাটুরিয়ায় বিক্ষোভ ও মানববন্ধন
রেড চিটাগাং ক্যাটল জাত সংরক্ষণ অত্যন্ত জরুরি --- মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা
নোয়াখালী-৫ আসনে এমপি প্রার্থীর গাড়ির সঙ্গে শিক্ষার্থীবাহী গাড়ির সংঘর্ষ
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন বরগুনা ১ আসনের হাতপাখা মার্কার পথসভা
বাগেরহাটে স্বাস্থ্য বিষয়ক অলিম্পিয়াড অনুষ্ঠিত
দুর্নীতির পাতা ধরে টানাটানি করবো না, শিকড় ধরে তুলে ফেলবো -- ডা. শফিকুর রহমান
বাগেরহাটে ধানের শীষের প্রার্থী নির্বাচনী জনসভা
বাইউস্টে “Advancing Quality Assurance in Higher Education: Integration of TLA, CPD, and Academic Strategic Plan’’ শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত