শরীয়তপুর-ঢাকা মহাসড়ক ও শরীয়তপুর-চাঁদপুর আঞ্চলিক মহাসড়কের কাজ দ্রুত সংস্থার চাই
একটি অঞ্চলের উন্নয়নের প্রধান সূচকগুলোর মধ্যে যোগাযোগব্যবস্থা অন্যতম। বিশেষ করে মহাসড়ক বা আঞ্চলিক মহাসড়ক যা একটি জেলার অর্থনীতি, বাণিজ্য, শিক্ষা ও চিকিৎসা ব্যবস্থার প্রাণরেখা হিসেবে কাজ করে। কিন্তু দীর্ঘ সময় ধরে যদি সেই সড়ক সংস্কার বা উন্নয়ন না হয়, তাহলে তার প্রভাব পড়ে সরাসরি জনজীবনে। বিগত এমপি ও মন্ত্রীর সময়ে শরীয়তপুর-ঢাকা মহাসড়ক ও শরীয়তপুর-চাঁদপুর আঞ্চলিক মহাসড়কে কাজ সম্পূর্ণ না হওয়া নিয়ে জেলাবাসীর মাঝে ক্ষোভ ও প্রশ্ন ক্রমেই বাড়ছে। ভাঙাচোরা সড়ক, বাড়ছে দুর্ঘটনা। জেলাবাসীর অভিযোগ, বছরের পর বছর ধরে মহাসড়কের বিভিন্ন অংশে বড় বড় গর্ত, ভাঙাচুরা সড়ক। বর্ষা মৌসুমে সামান্য বৃষ্টিতেই সড়কে পানি জমে থাকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা। এতে যানবাহন চলাচল ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি বাড়ছে দুর্ঘটনার ঝুঁকি। প্রতিদিন এই সড়ক ব্যবহার করেন হাজারো যাত্রী, শিক্ষার্থী ও ব্যবসায়ী। খারাপ সড়কের কারণে যাতায়াতে সময় বাড়ছে, পরিবহন খরচ বাড়ছে।
যদি উন্নয়নের জন্য বরাদ্দ থেকে থাকে, তাহলে সেই অর্থের ব্যবহার কোথায়? সংশ্লিষ্ট দপ্তর থেকে মাঝে মাঝে টেন্ডারের ঘোষণা বা কাজ শুরু করা হলেও বাস্তবে দৃশ্যমান অগ্রগতি তেমন চোখে পড়ার মতো না। জনপ্রতিনিধিদের প্রধান দায়িত্ব হলো এলাকার মানুষের মৌলিক সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে তা সমাধানে উদ্যোগ নেওয়া। কিন্তু শরীয়তপুর-ঢাকা মহাসড়ক ও শরীয়তপুর-চাঁদপুর আঞ্চলিক মহাসড়কের মতো গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো বছরের পর বছর অবহেলিত থাকলে তা দায়িত্ব পালনে ব্যর্থতার ইঙ্গিত দেয়।
জনগণ ভোট দিয়ে জনপ্রতিনিধি নির্বাচন করেন উন্নয়ন ও সেবার প্রত্যাশায়। কিন্তু দীর্ঘ সময় ধরে গুরুত্বপূর্ণ মহাসড়ক ও আঞ্চলিক মহাসড়কের কাজ না হলে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন ওঠে—পরিকল্পনা কোথায় ছিল? তদারকি কতটুকু হয়েছে? সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সড়ক বিভাগের সঙ্গে সমন্বয় কতটা ছিল?
জেলা থেকে রাজধানী যাওয়ার একমাত্র মহাসড়ক বা আঞ্চলিক মহাসড়ক কোনো বিলাসিতা নয়, এটি একটি অঞ্চলের উন্নয়নের পূর্বশর্ত। বিগত এমপি ও মন্ত্রীর সময়ে যদি এই গুরুত্বপূর্ণ খাতটি অবহেলিত হয়ে থাকে, তবে তা শুধু রাজনৈতিক ও সড়ক বিভাগের ব্যর্থতা নয়—এটি জেলার মানুষের জীবনের ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলেছে। এখন সময় এসেছে অতীতের ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার।
১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন শেষে শরীয়তপুর জেলায় তিনজন এমপি নির্বাচিত হয়েছেন। তাদের কাছে জেলাবাসীর একটাই দাবি- তারা যেন জরুরি ভিত্তিতে শরীয়তপুর সদর থেকে জাজিরার নাওডোবা জিরোপয়েন্ট এবং শরীয়তপুর সদরের মনোহর বাজার থেকে সখিপুরের নরসিহপুর ফেরিঘাট পর্যন্ত সড়ক সংস্কার, দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রণয়ন, স্বচ্ছ টেন্ডার প্রক্রিয়া ও কাজের মান তদারকি নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের ব্যবস্থা করেন। যাতে করে সড়ক দুটির কাজ দ্রুত সম্পূর্ণ হয়। এই সড়কের কাজ সম্পূর্ণ হলে ভোগান্তি কমবে শরীয়তপুর জেলাবাসীর।
লেখক:
মো. ছগির হোসেন
সাংবাদিক, শরীয়তপুর।
Ahad Hossain / Ahad Hossain
শিবচরে ম্যাজিস্ট্রেটের বোরকা পড়ে দাম যাচাই অতঃপর জরিমানা
শরীয়তপুর-ঢাকা মহাসড়ক ও শরীয়তপুর-চাঁদপুর আঞ্চলিক মহাসড়কের কাজ দ্রুত সংস্থার চাই
আমতলী ইসলামী আন্দোলনের সভাপতি মুফতি ওমর ফারুক জিহাদীর নির্বাচন পরবর্তী মতবিনিময়
চলে গেলেন সদা হাস্যোজ্জ্বল বিএনপি নেতা মেহেদী হাসান মিন্টু
র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন-১৩’র অভিযানে লালমনিরহাটে ২১১ বোতল এস্কাফসহ আটক ১
বিজিবির দুঃসাহসিক অভিযান: মাদক কারবারীদের সাথে গুলি বিনিময়; ৯ লক্ষ ৮০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার
নড়াইলের লোহাগড়া আওয়ামীলীগ কার্যালয়ে মুজিব-হাসিনার ছবি, উঠলো জাতীয় পতাকা
মহাদেবপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি বৃদ্ধি পাওয়ায় আইনশৃঙ্খলা সভায় উদ্বেগ প্রকাশ
বকশীগঞ্জে দা নিয়ে ভাই ও ভাতিজাকে হত্যার চেষ্টা, ভিডিও ভাইরাল!
দিনাজপুরে জমকালো আয়োজনে আড়ংয়ের ৩৪তম আউটলেট উদ্বোধন
ঢাকা ৫ এর নবনির্বাচিত এমপি মোঃ কামাল হোসেনকে ৬৬ নং ওয়ার্ডের এলাকাবাসীর শুভেচ্ছা
প্রথমবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েই চমক দেখালেন লায়ন ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম