খোকার সাবেক এপিএস মান্নাকে নিয়ে বিতর্ক, জি কে শামীম-স্বপন চৌধুরীর প্রতিষ্ঠানে অর্থ লগ্নি
অবিভক্ত ঢাকার সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকা–এর সাবেক এপিএস সিদ্দিকুর রহমান মান্না আবারও আলোচনায় উঠে এসেছেন। সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রের দাবি, দায়িত্ব পালনকালে প্রভাব খাটানো, তদবির বাণিজ্য এবং বিভিন্ন অনিয়ম-দুর্নীতির মাধ্যমে বিপুল অর্থ-সম্পদের মালিক হন তিনি। পরে সেই অর্থের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ ক্যাসিনোকাণ্ডে আলোচিত ঠিকাদার ও যুবলীগ নেতা জি কে শামীম এবং তার ঘনিষ্ঠ সহযোগী ঠিকাদার ফজলুল করিম চৌধুরী–এর নিয়ন্ত্রিত বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগ করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এসব বিনিয়োগ ও ব্যবসায়িক সংশ্লিষ্টতাকে ঘিরে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে বিভিন্ন মহলে।
ক্যাসিনো কাণ্ডে ২০১৯ সালের ২০ সেপ্টেম্বর গ্রেপ্তার হওয়া জি কে শামীমের বিরুদ্ধে ২০২০ সালের ২২ নভেম্বর দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চট্টগ্রাম-১ সমন্বিত জেলা কার্যালয় একটি জালিয়াতির মামলা দায়ের করে। শামীম গণপূর্তের আলোচিত ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান জি কে বি অ্যান্ড কোম্পানি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক। ওই মামলায় তার পাশাপাশি দি বিল্ডার্স ইঞ্জিনিয়ার্স অ্যাসোসিয়েটস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফজলুল করিম চৌধুরী ওরফে স্বপন চৌধুরীকেও আসামি করা হয়।
অভিযোগ রয়েছে, জাল কাগজপত্র উপস্থাপন করে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় ৭৫ কোটি টাকার নির্মাণকাজ বাগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন তারা। এছাড়া বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগ চুক্তির আড়ালে বড় বড় সরকারি প্রকল্পের কাজ নিলেও সেগুলোর অনেকগুলো যথাসময়ে সম্পন্ন না করে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগও রয়েছে স্বপন চৌধুরীর বিরুদ্ধে।
ফেনী জেলা বিএনপির সাবেক এই নেতা রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর আওয়ামীলীগের প্রভাবশালী মহলের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা গড়ে তোলেন। তখন দলে ভেড়ান আমেরিকায় অবস্থানরত বন্ধু মান্নাকে। দুই
বন্ধু মিলে আওয়ামী প্রভাবকে কাজে লাগিয়ে বিভিন্ন কৌশলে প্রায় তিন হাজার কোটি টাকার ঠিকাদারি কাজ বাগিয়ে নেন। সাদেক হোসেন খোকার সাবেক এপিএস মান্নার সঙ্গে দীর্ঘদিনের ব্যক্তিগত ও ব্যবসায়িক সম্পর্ক রয়েছে স্বপন চৌধুরীর। সংশ্লিষ্টদের দাবি, যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানকালে মান্না জি কে শামীম ও স্বপন চৌধুরীর বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে শত শত কোটি টাকা বিঅভিযোগ উঠেছে, অতীতে ক্ষমতার প্রভাব ব্যবহার করে গড়ে তোলা বিতর্কিত নেটওয়ার্ক এবং আর্থিক লেনদেনের কারণে সিদ্দিকুর রহমান মান্নার কর্মকাণ্ড নতুন করে আলোচনায় এসেছে। তার বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগগুলো নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করা হলে প্রভাব খাটিয়ে সম্পদ অর্জন, তদবির বাণিজ্য এবং বিতর্কিত ব্যবসায়িক সংশ্লিষ্টতার নানা তথ্য সামনে আসতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। রাজনৈতিক প্রভাব, প্রশাসনিক যোগাযোগ এবং বিতর্কিত ব্যবসায়ী গোষ্ঠীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের অভিযোগও তার অতীত কর্মকাণ্ডকে নতুন করে প্রশ্নবিদ্ধ করছে।
সিদ্দিকুর রহমান মান্না অতীতে গড়ে তোলা প্রভাবের বলয় ও বিতর্কিত নেটওয়ার্ককে কাজে লাগিয়ে এখনও সক্রিয় রয়েছেন। রাজনৈতিক অঙ্গনে অনেকের আশঙ্কা, তার কর্মকাণ্ড ও সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলো সময়মতো নিয়ন্ত্রণে না আনা গেলে তা কেবল দল ও নেতৃত্বের ভাবমূর্তিকেই ক্ষতিগ্রস্ত করবে না, বরং তার সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বা সংশ্লিষ্টতার কারণে একাধিক প্রভাবশালী নেতাও অপ্রত্যাশিত বিতর্ক ও জটিল পরিস্থিতিতে জড়িয়ে পড়তে পারেন।
Rp / Admin
বাগেরহাট জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচন দিপু সভাপতি, জালাল সম্পাদক নির্বাচিত
দিনাজপুরের ফুলবাড়ী উপজেলা পরিষদের পরিদর্শন কক্ষ'র শুভ উদ্বোধন
বাগেরহাটে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ
রামপাল উপজেলা নাগরিক ফোরামের ত্রৈমাসিক সভা অনুষ্ঠিত
শরীয়তপুরে স্বামীকে বেঁধে স্ত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ, আটক ৩
মহাদেবপুরে ফ্যামিলি কার্ড শুমারি পরীক্ষা যুদ্ধ সমাপ্ত ফলাফলের অপেক্ষায় সহস্রাধিক তরুণ তরুণী
মানব পাচার রোধে মাদারীপুর জেলা পুলিশের বিশেষ সেল উদ্বোধন
৪০ বছর ধরে অবৈধ দখলে রেলওয়ে কোয়ার্টার, প্রয়োজন সরকারি হস্তক্ষেপ
বিশ্ব বাঘ দিবস আজ
মানিকগঞ্জে সোহান হত্যা মামলায় দুইজনের মৃত্যুদণ্ড
আধ্যাত্মিক বাউল গানে মুখরিত হলো বরগুনার বেতবুনিয়ার গ্রামীণ পরিবেশ, বাড়িতে অনুষ্ঠিত হলো সঙ্গীতানুষ্ঠান
সম্ভাবনা থাকলেও এগোচ্ছে না লালমনিরহাটের চা চাষ