বাংলাদেশ তথ্যপ্রযুক্তি লীগের মহিলা বিষয়ক সম্পাদক এবং ওমেন্স সিম্বল অফ কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রিজ এর সভাপতি মোছাম্মদ আপা কারিগরি অধিদপ্তরে এসে প্রকল্প থেকে গ্রেফতার
ডুপ্লিকেট জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) সংক্রান্ত একটি তদন্তকে কেন্দ্র করে দায়ের করা জালিয়াতি ও মানহানির মামলায় দিনাজপুর মহিলা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের সভাপতি মোসাঃ জান্নাতুল সাফা শাহিনুরকে কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তেরর এসেট প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালকের কক্ষ থেকে বিকাল ৪টায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সূত্রে জানা গেছে। গুলশান থানার সুদক্ষ ওসি জনাব দাউদের নেতৃত্বে একটি দল শাহিনুরকে আটকের পরে জানান যে, শাহীনুর দিনাজপুর থেকে পালিয়ে ঢাকায় এসে আজ সকালে প্রথমে উপ প্রকল্প পরিচালক রবীন্দ্রনাথ মাহাতোর কক্ষে আত্মগোপনে ছিল। পরে প্রকল্প পরিচালক মীর জাহিদের কক্ষে অপেক্ষা করে।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, ঢাকার Chief Metropolitan Magistrate (CMM) আদালতের জারি করা গ্রেপ্তারি পরোয়ানার ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পূর্বে আদালতের সমনে সাড়া না দেওয়ায় তার বিরুদ্ধে ১৫ মার্চ ২০২৬ তারিখে গ্রেফতার পরোয়ানা জারি করা হয়েছিল বলে জানা গেছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গ্রেপ্তারের পর আইন অনুযায়ী তাকে সংশ্লিষ্ট আদালতে উপস্থাপন করা হবে। পরবর্তী জামিনের বিষয়টি আদালতের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করবে।
মামলার নথি অনুযায়ী, অভিযোগটি Bangladesh Penal Code-এর ৪৬৫, ৪৬৬, ৪৭১ ও ৫০০ ধারার আওতায় দায়ের করা হয়েছে বলে জানা গেছে। এসব ধারায় যথাক্রমে জালিয়াতি, সরকারি নথি জালকরণ, জাল নথি ব্যবহার এবং মানহানির অভিযোগ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
মামলার অভিযোগকারী খন্দকার খালেদ রিয়াজ, সাবেক উপপকল্প পরিচালক, ASSET প্রকল্প অভিযোগ করেন যে মোসাঃ জান্নাতুল সাফা শাহিনুর ডুপ্লিকেট জাতীয় পরিচয়পত্র ব্যবহার করে এসেট প্রকল্পের সঙ্গে চুক্তি সম্পাদন এবং একাধিক আর্থিক অনিয়ম করায় তিনি বিষয়টি সরেজমিনে তদন্ত করেন। তার দাবি অনুযায়ী, তদন্ত প্রক্রিয়ায় তিনি অভিযুক্তের ডুপ্লিকেট এনআইডি সনাক্ত করেন এবং পর্যবেক্ষণ করেন যে মোসাঃ জান্নাতুল সাফা শাহিনুর ডুপ্লিকেট জাতীয় পরিচয়পত্র ব্যবহার করে প্রজেক্টের সাথে জালিয়াতি করে চুক্তি করা, ব্যাংক একাউন্ট চালু ও বানিজ্য মন্ত্রনালয় হতে ওমেন চেম্বারের লাইসেন্স গ্রহন করায় সংশ্লিষ্ট চুক্তি বাতিল ও বাণিজ্য মন্ত্রনালয়ের লাইসেন্স বাতিলের জন্য আইনগতভাবে ব্যব্স্হা গ্রহণের সুপারিশ করেন। পরবর্তীতে কারিগরি অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ASSET প্রজেক্টের সাথে জান্নাতুল সাফা শাহিনুরের চুক্তি বাতিল ও বাণিজ্য মন্ত্রনালয় হতে জালিয়াতি করে লাইসেন্স গ্রহণ করায় আইনগতভাবে ব্যবস্থা গ্রহণসহ তদন্ত প্রতিবেদনের সুপারিশসমুহ অনুমোদন করলে প্রকল্প পরিচালক মীর জাহিদ হাসান চুক্তিটি বাতিল করেন এবং জান্নাতুল সাফা শাহিনুরের বিরুদ্ধে বাণিজ্য মন্ত্রনালয়ে আইনগতভাবে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য পত্র প্রেরণ করেন।
অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, তদন্ত চলাকালে অভিযুক্ত ব্যক্তি অভিযোগকারীকে হেয় প্রতিপন্ন করার উদ্দেশ্যে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেন বলে দাবি করা হয়েছে। এর মধ্যে ২০২৪ সালের ২৯ নভেম্বর শিক্ষা উপদেষ্টার নিকট একটি মিথ্যা মানহানিকর অভিযোগ দাখিল এবং পরবর্তীতে তা একটি অনলাইন গ্রুপে প্রচারের বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া, অভিযোগকারী কর্মকর্তার একটি তদন্ত-সংক্রান্ত পত্র গোপনে প্রকল্পের অথবা কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সংশ্লিষ্ট শাখা হতে অজ্ঞাতনামা কর্মকর্তাদের সংগ্রহ করে সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং গ্রুপে প্রকাশ করা হয়েছে বলেও অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে।
এছাড়া অনুসন্ধানে জানা যায় যে, জনাব খন্দকার খালেদ রিয়াজ এসেট প্রকল্পের কমর্রত থাকাকালীন দুইজন উদধর্তন কর্মকর্তা তাকে মেডিকেল বোর্ডের অনুমোদন ছাড়াই শারীরিক ও মানসিক অসুস্থ লিখে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে প্রত্যাহার করে সরকারী চাকরীতে তার সুনামহানি করেন। তিনি বাদী হিসেবে ঢাকা চীফ মেট্রো পলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ও অতিরিক্ত প্রকল্প পরিচালকে বিবাদী করে অভিযোগ দাখিল করেন। বিজ্ঞ ম্যাজিস্ট্রেট এর নির্দেশে পিবিআই তদন্ত শুরু করার পরে এসেট প্রকল্পের অজ্ঞাতনামা কতিপয় দুর্নীতিগ্রস্ত কর্মকর্তা জান্নাতুল সাফা শাহিনুরকে ডেকে নিয়ে বলেন যে, উপ-পরিচালক খন্দকার খালেদ রিয়াজ আপনার চুক্তি বাতিলের সুপারিশ করেছিল। এখন তার নামে মামলা দিলে আপনাকে আবার চুক্তি করে এসেট প্রকল্পে কাজ দিব। শাহীনুর এসেট প্রকল্পের অজ্ঞাতনামা কর্মকর্তাদের যোগসাজশে ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তারিখে দিনাজপুর ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে দিনাজপুরের একাধিক সুনামধন্য প্রশিক্ষণ প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের পরিচালকগনসহ বাদীর বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ দাখিল করেন। প্রকল্প পরিচালক মীর জাহিদ হাসান ও জনাব রবীন্দ্রনাথ মাহাতো দিনাজপুর ওমেন চেম্বারের সভাপতি শাহীনুর কে প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ডুপ্লিকেট এনআইডি কারনে বাতিল করা চুক্তি পুনরায় নতুন করে বহাল করে ২৫ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে বেআইনিভাব প্রায় ২ কোটি টাকার কাজ দেন।
উল্লেখ্য, দিনাজপুরের Chief Metropolitan Magistrate আদালত সূত্রে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, শাহিনুরকে ৩ মার্চ ২০২৬ তারিখে একটি চেক জালিয়াতি মামলায় দোষী সাব্যস্ত করে দিনাজপুর কারাগারে প্রেরণ করেন।
এ বিষয়ে অভিযুক্তের কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
এছাড়া এসেট প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক মীর জাহিদ হাসানের সাথে যোগাযোগ করা হলেও কোন উত্তর পাওয়া যায় নি।
Masum / Masum
মৎস্যজীবী থেকে ভোক্তা-সবাইকে জাটকা সংরক্ষণে এগিয়ে আসতে হবে -- মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষি মন্ত্রী
মানিকগঞ্জের শিবালয়ে জাটকা সংরক্ষণ সপ্তাহ উদ্বোধন ও আলোচনা সভা
মাদকমুক্ত বুদ্ধিবৃত্তিক সমাজ গঠনই হবে আমাদের সরকারের একটি চ্যালেঞ্জ - পার্বত্য মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান
নোয়াখালীতে যুবককে পিটিয়ে পুড়িয়ে হত্যা
বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস উপলক্ষ্যে বাগেরহাটে র্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত
ফেনী ক্রাইম রিপোর্টার্স এসোসিয়েশনের অভিষেক ও ফ্যামিলি ডে সম্পন্ন
মহাদেবপুরে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ক্রীড়া দিবস উদযাপনে শোভাযাত্রা
বাগেরহাটে তথ্য অধিকার ও জবাবদিহিতা শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত
বাংলাদেশ তথ্যপ্রযুক্তি লীগের মহিলা বিষয়ক সম্পাদক এবং ওমেন্স সিম্বল অফ কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রিজ এর সভাপতি মোছাম্মদ আপা কারিগরি অধিদপ্তরে এসে প্রকল্প থেকে গ্রেফতার
বাগেরহাটে ৫৬তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে মহিলা পরিষদের র্যালী
বাগেরহাটে জমি দখলের চেষ্টায় হামলা, আহতদের নিরাপত্তা ও বিচার দাবি
মহাদেবপুরে আদিবাসীদের মাঝে ২ শ ছাগল ও উপকরণ বিতরণ