বার বার ভুল চিকিৎসায় সর্বশান্ত ফেনীর নিরীহ রোগীরা আইনের আওতায় আনার দাবী ফেনীর মানুষের
ডাঃ নাসরিন আক্তার মুক্তা, এমবিবিএস ও বিবিএস শেষ করে ধাত্রী বিদ্যায় স্বপ্ল প্রশিক্ষণ শেষ করে চাকুরি পেয়েছেন মা ও শিশু হাসপাতালে। গাইনি বিদ্যায় তার উচ্চতর ডিগ্রি নেই।
অন্যদিকে স্বামী নাজমুল হক এমবিবিএস পাশ করলেও তার ভাগ্যে বিসিএস জোটেনি। বিএমডিসির রেজিস্ট্রেশন নিয়ে নিজেকে অজ্ঞান করার ডাঃ হিসেবে সর্বত্র জাহির করেন। বিগত সরকারের সময় ফেনী বিএমএ'র ছত্রছায়ায় থেকে নাজমুল, স্ত্রী মুক্তাকে ফেনী ডাক্তারপাড়া মা ও শিশু হাসপাতালে পোস্টিং করান।
এরপর সোনার হরিণ তাদের হাতে ধরা দেয়। নাজমুল স্ত্রী মুক্তাকে ব্যবহার করে শহরের শহীদ শহীদুল্লা কায়সার সড়কের সুন্দরবন কুরিয়ারের পাশে একটি পরিত্যক্ত ও মেডিকেল চিকিৎসার অনুপযোগী একটি ভবন ভাড়া নিয়ে গড়ে তোলেন ওয়ানস্টপ মেটারনিটি নামে প্রতারণার ফাঁদ।
বহুল প্রচলিত মেরীস্টোপস ক্লিনিকের আংশিক নামের সাথে মিল রেখে ক্লিনিকটির নাম রাখায় গ্রামের সহজ-সরল মানুষ সহজেই তাদের প্রতারণার ফাঁদে পা দেয়। বিগত ফ্যাসিবাদী সরকারের আমলে মা ও শিশু হাসপাতালে পোস্টিং নিয়ে মুক্তা ডিউটি করতো তাদের কথিত ক্লিনিকে। সাধারণ রোগিদের কৌশলে তাদের ক্লিনিকে ডেকে নিয়ে সিজারিয়ান অপারেশন করা হতো।
এরপর ভয়ভীতি দেখিয়ে আদায় করা হতো মোটা অংকের বিল। এসময় নাজমুল ও মুক্তা প্রায় ৫০ লাখ টাকা খরচ করে বিলাস বহুল গাড়ি ও ফ্লাট কিনেন।
গ্রামের নিরীহ প্রসুতিরা মুক্তাকে মা ও শিশু হাসপাতালে না পেয়ে বাধ্য হয়ে তার ওয়ানস্টপ ক্লিনিকে যেতো। আর সেখানেই রোগিদের ভয়ভীতি দেখিয়ে সিজার করা হতো।
অভিযোগ রয়েছে অনেক সময় মুক্তা না থাকলে নাজমুলই প্রসুতিদের সিজার করেন।
ইতিপূর্বে তাদের প্রতারণা ও ভুল চিকিৎসায় কয়েকজন রোগির মৃত্যু হয়েছে। রোগির মৃত্যুর পর কয়েকদিন গা ঢাকা দিয়ে আবারো তারা স্বরুপে আবির্ভাব হয়। এবং পূর্বের মতো প্রতারণায় লিপ্ত হয় এ দম্পতি।
এমনি এক ভুল চিকিৎসার শিকার হয়ে শনিবার প্রাণ হারান ফেনী সদর উপজেলার ফাজিলপুর শিবপুর গ্রামের প্রবাসী সুমনের প্রসুতি স্ত্রী লিজা আক্তার। লিজার ৪ বছর বয়সী আরাবী নামে একটি ছেলে রয়েছে। এটি তার দ্বিতীয় সন্তান। পরিবার ও স্বজনদের অভিযোগে জানা যায়, সিজারের সময় লিজার কিডনি কেটে ফেলে মুক্তা ও নাজমুল। ফলে প্রসব পরবর্তী রক্তপাত বন্ধ হয় না। সকালে লিজার শরীর নিস্তেজ হয়ে এলে নাজমুলের অপকর্মের আরেক আস্তানা ফেনী প্রাইভেট হাসপাতালে নিয়ে লিজাকে আবারো ডাঃ কাইয়ুমের সহযোগিতায় অপারেশন করা হয়।
লিজার প্রাণবায়ু যখন ওষ্ঠাগত তখন তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেলের উদ্দেশ্যে এম্বুলেন্সে তুলে দেয়া হয়। এদিকে শরীর রক্তশূন্য হয়ে চট্টগ্রাম নেয়ার আগেই পথে লিজার মৃত্যু হয়। লিজার স্বজনরা জানান, রাতে অপারেশনের পর লিজার শারীরিক অবস্থা বুঝতে পেরে পরিবার থেকে জোরপূর্বক বিল আদায় করেন নাজমুল ও মুক্তা। রাতে তাকে (লিজাকে)চট্টগ্রাম মেডিকেলে না পাঠিয়ে সকালে ফেনী প্রাইভেট হাসপাতালে আবারো একটি অপারেশন করে বিল আদায় করা হয়।
এ ঘটনায় লিজার পরিবার ও ফেনীর স্থানীয় বাসিন্দারা চরম ক্ষোভ এবং হতাশা প্রকাশ করেছেন। বহুরুপি অর্থলোভী নাজমুল আর মুক্তাকে অবিলম্বে গ্রেপ্তার ও ফেনী ওয়ানস্টপ ক্লিনিকটি যাতে স্থায়ীভাবে বন্ধ ঘোষণা করা হয় এটাই গণদাবীতে পরিণত হয়েছে। নতুবা নতুন করে তাদের প্রতারণার ফাঁদে পা দিবে গ্রামের কোন নিরীহ পরিবার ও হারাবে তাদের স্ত্রী অথবা সন্তানকে।
Rp / Rp
দিনাজপুরের ফুলবাড়ী উপজেলা পরিষদের পরিদর্শন কক্ষ'র শুভ উদ্বোধন
বাগেরহাটে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ
রামপাল উপজেলা নাগরিক ফোরামের ত্রৈমাসিক সভা অনুষ্ঠিত
শরীয়তপুরে স্বামীকে বেঁধে স্ত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ, আটক ৩
মহাদেবপুরে ফ্যামিলি কার্ড শুমারি পরীক্ষা যুদ্ধ সমাপ্ত ফলাফলের অপেক্ষায় সহস্রাধিক তরুণ তরুণী
মানব পাচার রোধে মাদারীপুর জেলা পুলিশের বিশেষ সেল উদ্বোধন
৪০ বছর ধরে অবৈধ দখলে রেলওয়ে কোয়ার্টার, প্রয়োজন সরকারি হস্তক্ষেপ
বিশ্ব বাঘ দিবস আজ
মানিকগঞ্জে সোহান হত্যা মামলায় দুইজনের মৃত্যুদণ্ড
আধ্যাত্মিক বাউল গানে মুখরিত হলো বরগুনার বেতবুনিয়ার গ্রামীণ পরিবেশ, বাড়িতে অনুষ্ঠিত হলো সঙ্গীতানুষ্ঠান
সম্ভাবনা থাকলেও এগোচ্ছে না লালমনিরহাটের চা চাষ
মন্ত্রীর পরিদর্শন: ক্লিনিক সিলগালার পর, এবার মোরেলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা সাময়িক বরখাস্ত