বাগেরহাটে নজর কাড়ছে একই রঙ ও আকৃতির ১০ গরুর ব্যতিক্রমী খামার
দূর থেকে দেখলে মনে হবে যেন একই গরুর সারি দাঁড়িয়ে আছে। রঙ, গঠন, উচ্চতা—সবকিছুতেই যেন এক আশ্চর্য মিল। বাগেরহাটে আসন্ন কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে নজর কাড়ছে একই জাত, রঙ ও আকৃতির ১০টি গরুর এক ব্যতিক্রমী খামার।
জেলার ফকিরহাট উপজেলার শুভদিয়া ইউনিয়নের ঘনশ্যামপুর গ্রামে সাবেক চেয়ারম্যান মো. শহিদুল ইসলামের গড়ে তোলা এই ভিন্নধর্মী খামারে বর্তমানে রয়েছে ফ্রিজিয়ান জাতের ১০টি গরু। প্রতিটি গরুর ওজন ৬ থেকে ৮ মণের মধ্যে। একই ধরনের গঠন ও রঙের কারণে গরুগুলো দেখতে প্রায় অভিন্ন মনে হয়। আর এ কারণেই প্রতিদিন খামারটি দেখতে ভিড় করছেন আশপাশের মানুষসহ দূর-দূরান্ত থেকে আসা দর্শনার্থীরা।
খামারির ছেলে সাকিব শেখ জানান, জেলার বিভিন্ন হাট থেকে দীর্ঘ সময় ধরে বাছাই করে তার বাবা গরুগুলো সংগ্রহ করেছেন।
তিনি বলেন, বাবা অনেক খোঁজখবর নিয়ে একই রঙ ও গড়নের গরুগুলো সংগ্রহ করেছেন। গরুগুলোর খাবার, পরিচর্যা ও চিকিৎসাসহ খামারের সব কাজ আমি দেখাশোনা করি। এবারের কোরবানির ঈদে একটি গরু আমাদের পরিবারের জন্য রাখা হবে আর বাকি ৯টি বিক্রি করা হবে।
খামারি শহিদুল ইসলাম বলেন, দীর্ঘদিন ধরেই তিনি গরু মোটাতাজাকরণ ও খামার ব্যবস্থাপনার সঙ্গে যুক্ত। শখের বসে শুরু করা এই খামার এখন তার লাভজনক উদ্যোগে পরিণত হয়েছে।
তিনি বলেন, আমার খামারের গরু কখনো হাটে তুলতে হয়নি। পাইকার ও ব্যাপারীরা সরাসরি খামারে এসে গরু কিনে নিয়ে যান। একই জাত ও আকৃতির গরু সংগ্রহ করতে অনেক সময় ও পরিশ্রম দিতে হয়েছে। এটাই আমার খামারের বিশেষ আকর্ষণ। দূর-দূরান্ত থেকে মানুষ গরুগুলো দেখতে আসে।
তিনি আরও বলেন, প্রতিটি গরু তিনি প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার টাকা করে কিনেছেন। গত বছর খামারে ১৪টি গরু ছিল, এবার পালন করেছেন ১০টি। এর মধ্যে ৯টি বিক্রির জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে এবং একটি নিজেদের কোরবানির জন্য রাখা হবে। প্রতিটি গরু প্রায় ৩ লাখ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হবে বলে আশা করছেন তিনি।
খামারটি দেখতে আসা স্থানীয় বাসিন্দা মো. রবিউল ইসলাম বলেন, একসঙ্গে এতগুলো একই রঙ ও গড়নের গরু আমি আগে কখনও দেখিনি। দূর থেকে দেখে মনে হয় যেন একই গরুর কয়েকটি প্রতিচ্ছবি দাঁড়িয়ে আছে। ব্যতিক্রমী এই খামারটি সত্যিই সবার দৃষ্টি কাড়ছে।
গরু কিনতে আসা পাইকার মো. কামাল হোসেন বলেন,এই খামারের গরুগুলোর পরিচর্যা খুব ভালো হওয়ায় এগুলো দেখতে স্বাস্থ্যবান ও আকর্ষণীয়। একই রঙ ও গড়নের হওয়ায় বাজারে এসব গরুর আলাদা চাহিদা রয়েছে। দাম কিছুটা বেশি হলেও মানের কারণে ক্রেতারা আগ্রহ দেখাচ্ছেন।
খামারের এক কর্মী বলেন, এখানে নিয়ম মেনে গরুর যত্ন নেওয়া হয়। প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে খাবার দেওয়া হয় এবং পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা হয়। এজন্য গরুগুলো সুস্থ ও সতেজ থাকে।
খামারে বর্তমানে চারজন কর্মচারীর কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। তারা নিয়মিত গরুর পরিচর্যা, খাবার সরবরাহ ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজ করছেন।
জেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, আসন্ন কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে বাগেরহাট জেলায় এ বছর ষাঁড়, গরু, ছাগল ও ভেড়াসহ মোট ৮৪ হাজার ৯৬৭টি গবাদিপশু প্রস্তুত রয়েছে। এর বিপরীতে জেলায় কোরবানির পশুর চাহিদা রয়েছে ৭৭ হাজার ৮৮৯টি। ফলে চাহিদার তুলনায় জেলায় পর্যাপ্ত পশু সরবরাহ রয়েছে বলে জানিয়েছে প্রাণিসম্পদ বিভাগ।
Rp / Rp
দিনাজপুরের ফুলবাড়ী উপজেলা পরিষদের পরিদর্শন কক্ষ'র শুভ উদ্বোধন
বাগেরহাটে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ
রামপাল উপজেলা নাগরিক ফোরামের ত্রৈমাসিক সভা অনুষ্ঠিত
শরীয়তপুরে স্বামীকে বেঁধে স্ত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ, আটক ৩
মহাদেবপুরে ফ্যামিলি কার্ড শুমারি পরীক্ষা যুদ্ধ সমাপ্ত ফলাফলের অপেক্ষায় সহস্রাধিক তরুণ তরুণী
মানব পাচার রোধে মাদারীপুর জেলা পুলিশের বিশেষ সেল উদ্বোধন
৪০ বছর ধরে অবৈধ দখলে রেলওয়ে কোয়ার্টার, প্রয়োজন সরকারি হস্তক্ষেপ
বিশ্ব বাঘ দিবস আজ
মানিকগঞ্জে সোহান হত্যা মামলায় দুইজনের মৃত্যুদণ্ড
আধ্যাত্মিক বাউল গানে মুখরিত হলো বরগুনার বেতবুনিয়ার গ্রামীণ পরিবেশ, বাড়িতে অনুষ্ঠিত হলো সঙ্গীতানুষ্ঠান
সম্ভাবনা থাকলেও এগোচ্ছে না লালমনিরহাটের চা চাষ
মন্ত্রীর পরিদর্শন: ক্লিনিক সিলগালার পর, এবার মোরেলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা সাময়িক বরখাস্ত
স্বাস্থ্যমন্ত্রীর পরিদর্শনের পরদিন মোড়েলগঞ্জে স্বাস্থ্য কর্মকর্তার ব্যক্তিগত ক্লিনিক সিলগালা
Link Copied