পঞ্চগড়ে আবারও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা, দুর্ভোগে নিম্ন আয়ের মানুষ
দেশের উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ের ওপর দিয়ে বয়ে যাচ্ছে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ। তাপমাত্রা রেকর্ড হচ্ছে ৮ থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে। শুক্রবার (৫ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় পঞ্চগড়ে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে ৮ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এর তিন ঘণ্টা আগে ভোর ৬টায় তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে ৮ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
এদিকে সকালে বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, কুয়াশা কেটে ভোরেই পুবালি আকাশে জেগে উঠেছে সূর্য। তবে সূর্য উঠলেও কনকনে শীতের তাণ্ডবে বইছে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ। শীতের কারণে বিপাকে পড়েছেন পাথর শ্রমিক, চা শ্রমিক, দিনমজুর থেকে শুরু করে রিকশা-ভ্যানচালকসহ শ্রমজীবী মানুষ। এতে করে কমে গেছে তাদের দৈনন্দিন রোজগার। পরিবার-পরিজন নিয়ে কষ্টে দিনযাপন করছেন। বিভিন্ন গ্রামাঞ্চলে খড়কুটো জ্বালিয়ে শীতার্তদের শীত নিবারণের চেষ্টা করতে দেখা গেছে। শীত উপেক্ষা করেই জীবিকার তাগিদে নিম্ন আয়ের মানুষদের কাজে বের হতে দেখা দেখা গেছে।
স্থানীয়রা জানান, এ অঞ্চলে দিনের চেয়ে সন্ধ্যার পর শীতের তাণ্ডব বেশি। রাত বাড়তে থাকলে বরফ হয়ে উঠে রাত। সারা রাত কুয়াশার সঙ্গে শিশির বৃষ্টি ঝরে। সে শিশিরও বরফের মতো ঠান্ডা। ভোরে সূর্য উঠে রোদ ছড়ালেও কনকনে শীত। হাত-পা অবশ হয়ে আসে।
গ্রামীণ নারীরা জানান, রাতে ও সকালে খুব ঠান্ডা। ঠান্ডার কারণে ছেলে-মেয়েরা পড়ালেখা করতে পারছে না। সকাল ১০টা পর্যন্ত শীতের কারণে কাজ করতে গিয়ে হাত-পা অবশ হয়ে আসে। ঘরের আসবাবপত্র, বিছানাপত্র, ঘরের মেঝে পর্যন্ত স্পর্শ করলে বরফের মতো ঠান্ডা মনে হয়।
তানিয়া আক্তার বৃষ্টি, সামিনা আক্তার ও মার্জিয়াসহ কয়েকজন শিক্ষার্থীরা বলে, আমরা সকালে প্রাইভেট পড়তে যাই। ওই সময় প্রচণ্ড ঠান্ডা। পরে রোদ উঠলেও ঠান্ডা থাকে। রাতে ও ভোরে উঠে ঠান্ডার কারণে পড়ালেখা করা যায় না।
ভ্যানচালক দেলোয়ার, কালাম ও নাসির বলেন, ভোরে সূর্য উঠায় স্বস্তি মিললেও ঠান্ডার কারণে বের হতে ইচ্ছে করে না। তারপরও জীবিকার তাগিদে ভ্যান নিয়ে বেরিয়ে পড়েছি। তবে ইনকাম কম। লোকজন শীতের কারণে ভ্যানে উঠতে চায় না।
পাথর ও চা শ্রমিক এরশাদুল, কালাম ও জুয়েলসহ কয়েকজন জানান, দুই দিন ধরে সকালে রোদ উঠছে। কিন্তু প্রচণ্ড শীত। এ শীতে হাড় কাঁপছে। কিন্তু কী করার, জীবিকার তাগিদে কাজে বের হতেই হয়।
এদিকে শীতের কারণে নিউমোনিয়া, অ্যাজমা, হাঁপানি, শ্বাসকষ্ট ও ডায়রিয়াসহ শীতজনিত রোগে আক্রান্ত হচ্ছে শিশু থেকে বয়স্ক মানুষ। জেলা ও উপজেলার হাসপাতালগুলোর আউটডোরে ঠান্ডাজনিত রোগীরা চিকিৎসা নিচ্ছেন। চিকিৎসার পাশাপাশি শীতজনিত রোগ থেকে নিরাময় থাকতে বিভিন্ন পরামর্শ প্রদান করছেন চিকিৎসকরা।
জেলার প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া অধিদপ্তরের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রাসেল শাহ জানান, গত তিন দিন ধরে এ জেলায় ৭ থেকে ১০ ডিগ্রির নিচে তাপমাত্রা রেকর্ড হচ্ছে। আজ শুক্রবার সকাল ৯টায় দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে ৮ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এর আগে ভোর ৬টায় তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৮ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তাপমাত্রা রেকর্ড অনুসারে এ অঞ্চলে এখন মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। ভোরেই সূর্যের মুখ দেখা গেছে। দিনের তাপমাত্রা স্বাভাবিক থাকছে। কিন্তু এলাকাটি হিমালয় বিধৌত হওয়ায় এখানে অন্যান্য এলাকা থেকে শীত আগে নামে। এ সময়টাতে তাপমাত্রা অনেক কম থাকে। তাপমাত্রা আরও কমতে পারে।
Admin / Admin
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন বরগুনা ১ আসনের হাতপাখা মার্কার পথসভা
বাগেরহাটে যৌথ বাহিনীর অভিযানে শীর্ষ সন্ত্রাসী শামীমসহ ৩জন আটক
বাগেরহাটে বিএনপি সভাপতির বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধনে বাধা ও সংঘর্ষ আহত-৫
শরীয়তপুর পলিটেকনিক ইন্সটিটিউটে চাকরি মেলা
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের জন্মদিন উপলক্ষে বাগেরহাটে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প
মহাদেবপুরে বিনিয়োগের ৩৩ কোটি টাকা আদায়ের দাবীতে ব্যাংক কর্মকর্তাদের অবস্থান কর্মসূচী পালন
লালমনিরহাটে বিজিবির অভিযানে ইউএসএ তৈরী পিস্তল ও গুলি উদ্ধার
সন্ত্রাস, চাদাবাজ ও নৈরাজ্য মুক্ত সমাজ গঠনে সকলকে এগিয়ে আসতে হবেঃ ব্যারিস্টার জাকির
বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ বাগেরহাট শাখার শোক
নদী ভাঙন রোধে পাটুরিয়ায় বিক্ষোভ ও মানববন্ধন
রেড চিটাগাং ক্যাটল জাত সংরক্ষণ অত্যন্ত জরুরি --- মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা
নোয়াখালী-৫ আসনে এমপি প্রার্থীর গাড়ির সঙ্গে শিক্ষার্থীবাহী গাড়ির সংঘর্ষ