ঢাকা রবিবার, ১৪ জুন, ২০২৬

হিমেল বাতাসে কাঁপছে কুড়িগ্রামের চর—কম্বলের অপেক্ষায় লক্ষাধিক চরবাসি


জি এম ক্যাপ্টেন, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি photo জি এম ক্যাপ্টেন, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ২৪-১২-২০২৫ বিকাল ৫:১৮
দেশের সীমান্তঘেষা কুড়িগ্রাম জেলা জুড়ে দিন দিন বাড়ছে শীতের তীব্রতা। আনুষ্ঠানিকভাবে শৈত্যপ্রবাহ শুরু না হলেও হিমেল বাতাস, ঘন কুয়াশা আর রাতভর বৃষ্টির মতো ঝরা শিশিরে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জনজীবন। রাজারহাট কৃষি আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের তথ্যমতে, আজ জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১১ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এদিন বাতাসের আর্দ্রতা ছিল শতভাগ, যা শীতের অনুভূতিকে আরও তীব্র করে তুলেছে।
নদনদী বেষ্টিত চরাঞ্চলগুলোতে শীতের প্রকোপ যেন কয়েক গুণ বেশি।
কুড়িগ্রামের ১৬টি নদীর তীরে বিস্তৃত ৪৬৯টি চরের মধ্যে ২৬৯টিতে মানুষের বসবাস রয়েছে। এসব চরে প্রায় সাড়ে পাঁচ লাখ মানুষ বসবাস করেন। হিমেল বাতাস আর কনকনে ঠান্ডায় চরবাসীরা ঘরবন্দি হয়ে পড়ছেন, সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন শিশু ও বৃদ্ধরা।
কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার যাত্রাপুর ইউনিয়নের ব্রহ্মপুত্র তীরবর্তী দইখাওয়ার চর, রাউলিয়া, কালির আলগা, গোয়ালপুরী, উলিপুর উপজেলার হাতিয়া ইউনিয়নের চরগুজিমারি–দাগারকুটি, চিলমারীর কড়াই বরিশাল ও মনতলার চর, শাখাহাতির চর, রৌমারীর শৌলমারি ইউনিয়নের ঘুঘুমারি ও সুখের বাতি, রাজিবপুর উপজেলার বড়বের ভেলামারি এবং রাজারহাটের তিস্তা তীরবর্তী চর বিদ্যানন্দ, ধরলা নদীর তীরবর্তী গোরক মন্ডল, ধনী রাম ও জগমোহনের চরসহ নানা দুর্গম চরে শীতের তীব্রতা জনজীবনকে কার্যত অচল করে তুলেছে।
যাত্রাপুরের ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল গফুর জানান, তার ইউনিয়নের লোকসংখ্যা প্রায় ৩৬ হাজার। এর মধ্যে তিন ভাগের দুই ভাগ মানুষ ব্রহ্মপুত্র নদ দ্বারা বিচ্ছিন্ন চরাঞ্চলে বসবাস করেন। ইউনিয়নে প্রায় ২০টি চর রয়েছে, যেখানে প্রায় ১৬ হাজার মানুষ শীতের চরম দুর্ভোগে রয়েছেন। তিনি বলেন, সরকারি সহায়তা হিসেবে এখন পর্যন্ত মাত্র ১০০টি কম্বল পাওয়া গেছে, যা প্রয়োজনের তুলনায় একেবারেই অপ্রতুল। শীতার্ত মানুষদের নিয়ে তিনি মহাবিপাকে পড়েছেন বলেও জানান।
শীতের প্রভাব পড়েছে দিনমজুর শ্রেণির মানুষের জীবনেও। প্রচণ্ড ঠান্ডার কারণে অনেকেই কাজে যেতে পারছেন না। আয় বন্ধ হয়ে যাওয়ায় পরিবার-পরিজন নিয়ে তাদের দিন কাটছে অনিশ্চয়তার মধ্যে।
 
কুড়িগ্রামেন রাজারহাট কৃষি আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুবল চন্দ্র সরকার জানান, ডিসেম্বরের শেষদিকে কুড়িগ্রাম জেলায় শৈত্যপ্রবাহ দেখা দিতে পারে। এতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
এদিকে শীতজনিত রোগীর সংখ্যাও বাড়ছে। জেলা সদর হাসপাতালসহ নয়টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রতিদিনই বাড়ছে সর্দি–কাশি, জ্বর ও নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। চিকিৎসকদের মতে, শিশু ও বৃদ্ধরা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছেন।
কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ৯ উপজেলায় ৫৪ লাখ টাকার কম্বল কিনে বিতরণ কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। তবে দুর্গম চরাঞ্চলের শীতার্ত মানুষের হাতে এখনো সরকারি শীতবস্ত্র পৌঁছেনি বলে অভিযোগ রয়েছে।

Rp / Rp

মহাদেবপুরে স্টার্টআপ সাইন্স প্রকল্প ও উদ্ভাবনী  ধারণা প্রদর্শন প্রোগ্রামের পুরস্কার বিতরণ

মহাদেবপুরে  স্টার্টআপ সাইন্স প্রকল্পের উদ্বোধন

বাগেরহাট প্রেসক্লাবে ফল উৎসব অনুষ্ঠিত

বিরামপুরে খানপুর ইউনিয়নে ‘৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ’ কর্মসূচির উদ্বোধন

আমার ছেলের হত্যার বিচার চাই: মায়ের আকুতি, লালমনিরহাটে মানববন্ধন

দেউলী বাজারে গ্রাম আদালত বিষয়ে সচেতনতামূলক র‍্যালি ও ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত

কুড়িগ্রামে জমি দখলের অভিযোগ

বিরামপুর উপজেলায় ৩নং খানপুর ইউনিয়নে ভিডাব্লিউবি কর্মসূচির চাল বিতরণ উদ্বোধন

বড়পুকুরিয়া রেল ক্রসিং পারাপারের রাস্তাটির বেহাল অবস্থা

ফুলবাড়ীর মাদিলা হাটে ২ কোটি ১৫ লক্ষ ৭১ হাজার টাকার ব্যয়ে খাদ্য গুদামের নির্মাণ কাজ এগিয়ে চলছে

বাগেরহাটে গ্রাম আদালত সক্রিয়করণে অংশীজনদের সাথে সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত

বাগেরহাটে দুর্বৃত্তদের ছুরিকাঘাতে কৃষক দল নেতা নিহত, বিএনপি নেতা আহত

লক্ষীপুর থেকে সাতক্ষীরা -উন্নয়ন ও সাংগঠনিক দায়িত্বে বীথিকা বিনতে হোসাইন