কুমারখালীতে এলজিইডির ঘুষবাণিজ্যে সড়ক সংস্কারে নিম্নমানের কাজ ভোগান্তিতে সাধারণ জনগণ
যেখানেই সড়ক সংস্কার সেখানেই অনিয়ম। ভাগ বাটোয়ারায় মুখ থুবড়ে পড়ছে প্রকল্পের কাজ। লুটপাটের মহা উৎসবে প্রকল্পে ব্যবহৃত হচ্ছে নিম্নমানের উপকরণ। কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার পান্টি, নন্দলালপুর ও মহেন্দ্রপুর চলছে এলজিইডির সড়ক সংস্কারের কাজ। তিনটি সড়কের ৮ কিলোমিটার কাজে ব্যয় ধরা হয়েছে ১ কোটি ৭০ লাখ টাকা। পান্টি ও নন্দলালপুরের কাজে উঠেছে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ। ব্যবহার করা হচ্ছে নিম্নমানের উপকরণ। ধুলোবালির উপরেই পিচ দিয়ে দায়সারা ভাবে যত্ন তত্ন করা হচ্ছে সংস্কারের কাজ। যা নিয়ে ক্ষুব্ধ স্থানীয়রা দুষছে এলজিইডি কর্মকর্তা ও ঠিকাদারদের। তবে মহেন্দ্রপুরের কাজের মান ভালো হলেও ঘুষ দিতে অস্বীকার করায় ভোগান্তিতে পড়েছেন ঠিকাদার।
মহেন্দ্রপুর কাজ চলার সময় কুষ্টিয়া এলজিইডির ল্যাবটেস্ট অফিসার হুমায়রা ঠিকাদারের প্রতিনিধির থেকে ৩০ হাজার টাকা নেন খবর পেয়ে মিডিয়া কর্মীরা উপস্থিত হয়। মিডিয়ার উপস্থিতি দেখে এলজিডির গাড়িচালক মঞ্জিল শেখের উপরে দায় চাপিয়ে সরে পড়েন হুমায়রা। পরবর্তীতে মঞ্জিল শেখ তার গ্রহনকৃত টাকা ফেরত দিতে বাধ্য হয়।
নন্দলালপুরের স্থানীয়রা জানান, রাস্তার কাজ ২ নম্বর করা হচ্ছে। হাটতে গেলে পায়ের আঘাতেই ভেঙে যাচ্ছে রাস্তা। যেমন তেমন করেই করা হচ্ছে কাজ।
পান্টির স্থানীয়রা জানান, কাজ সম্পূর্ণ করেছে অথচ হাত দিয়ে বা লাঠি দিয়ে খোঁচা দিলে নিমেষে উঠে যাচ্ছে পিচ ঢালায়ের রাস্তা।
মহেন্দ্রপুরের স্থানীয়রা জানান, কাজের মান ভালো হয়েছে। কাজ গুলো এভাবে করলে রাস্তা দ্রুত নষ্ট হবে না, সেই সাথে আমাদেরকেও ভোগান্তিতে পড়তে হবে না।
ঠিকাদার আব্দুস সামাদ খান জানান, থানা ইঞ্জিনিয়ার পরিদর্শনে আসলেই দিতে হয় ৪০০০ টাকা, সাব ইঞ্জিনিয়ার আসলে ২৫০০ টাকা, সাইড অ্যাসিস্ট্যান্ট আসলে ১০০০ টাকা। আমরা এত সর্বস্বান্ত হতে পারি না। আমার কাজে ইঞ্জিনিয়ারকে অতিরিক্ত ঘুষ দিতে অস্বীকার করার কারণে তিন ইঞ্চি এজিং এ ৫ ইঞ্চি এজিং করিয় নিয়েছে। আমার ৪৫ হাজার অতিরিক্ত দিতে হয়েছে। এমন অনিয়ম দুর্নীতির কারণে রাস্তার কাজের মান ক্ষুন্ন হচ্ছে। আমি সর্বোচ্চ ভালো কাজ সম্পূর্ণ করছি। কিন্তু ঘুষ না দেওয়ায় আমাকেও নানান ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে। যেমন ঘুষ না দিলে কুমারখালী উপজেলা প্রকৌশলী অফিস অ্যাসিস্ট্যান্ট সাব ইঞ্জিনিয়ার সাইফুল ও রত্না এমডি বই আটকে রাখেন। এছাড়াও এ বিষয়ে কুষ্টিয়া এলজিডি নির্বাহী প্রকৌশলীর নিকট লিখিত আবেদনেও মেলেনি সুরাহা।
ঠিকাদারদের দাবি, এলজিইডি কর্মকর্তাদের কমিশন বাণিজ্যের কাছে নিরুপায় তারা। বাধ্য হচ্ছে নিম্নমানের কাজ করতে।
কুমারখালী উপজেলা নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ নাজমুল হক অভিযোগের বিষয়ে বলেন, ম্যান-টু-ম্যান ঠিকাদার ভেরি করে যার কারণে অনেক জায়গায় কোয়ালিটি সম্পূর্ণ কাজ করতে গিয়ে বাধার সম্মুখীন হই।
কুষ্টিয়া এলজিইডি নির্বাহী প্রকৌশলী রাজু আহমেদ বলেন, আমাদের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার নেতৃত্বে একটি তদন্ত হবে তারপর কার দোষ সেভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
Rp / Rp
বাগেরহাটে স্বাস্থ্য অধিকার ফোরামের বার্ষিক পরিকল্পনা সভা অনুষ্ঠিত
মহাদেবপুরে জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহের সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ
রাজশাহীতে সকলের জন্য স্কাউটিং বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত
বাগেনহাটে বর্ণাঢ্য আয়োজনে আইনগত সহায়তা দিবস পালিত
বাগেরহাটে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত
বাগেরহাট হাসপাতাল থেকে গুরুতর আহত রোগীকে 'নরমাল' সার্টিফিকেট দেওয়ার প্রতিবাদ সংবাদ সম্মেলন
কৃষকের ভাগ্য বদলাতেই শহীদ জিয়া খাল খনন কর্মসূচি শুরু করেছিলেন— পার্বত্য মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান
মহাদেবপুরে ৩ দিনব্যাপী বইমেলা পুরস্কার বিতরণীর মধ্য দিয়ে সমাপ্ত
১৬ বছর পর পুনরায় সম্প্রচার শুরু করতে যাচ্ছে চ্যানেল ওয়ান
২৮শে এপ্রিল আসলাম চৌধুরীর মামলার চূড়ান্ত শুনানি রায়ের দিকে তাকিয়ে চট্টগ্রাম ও দেশবাসী
কুষ্টিয়া সীমান্তে বিজিবির পৃথক অভিযানে ৯,৯৭০ পিস ইয়াবাসহ বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য ও চোরাচালান পণ্য জব্দ
বাগেরহাটে প্রান্তিক নারীদের মাঝে আর্থিক সহায়তা প্রদান